ঘুমের ভেতর ক
সাগর ভাসিয়ে নিলো বালুচর মাঠ
আর ঘুম তখনই ভাঙলো তোমার
ঘুমের ভেতর ছেড়ে দিয়েছো ইঁদুর
কতকগুলো ইঁদুর কুয়াশা ওড়ায়
বালুর বাহুতে নাচে, খুশি খুটে খায়
কুয়াশা ওড়ানো আর বালু মাখামাখি
মাখামাখিরা কুড়ালো সোনার আঙটি
আঙটিকে ছুঁড়ে দিলো তোমার আঙুলে
হাত ফসকে আবার বালুতে গড়ায়
আবারও ছুঁড়ে দেয়া আবার গড়ানো
আঙটি গড়ানো হায় খ্যালে সারারাত
আর সব খেলাগুলো ভাসালো সাগর
সাগর তোমার হাতে ডুকরে পড়লো
আর ঘুম তখনই ভাঙলো তোমার
ঘুমের ভেতর খ
ঘুমের ভেতর ছাড়ো ফড়িঙ কয়েক
তোমাকে যে ডেকেছিলো বনের ভেতর
লতাপাতার পোশাক পরাবে তোমাকে
হরেক রকম পাতা তোমাকে সাজায়
পাতার উপর দোলে লতাদের গেরো
বুকের উপর হাসে হরেক কুসুম
লাফিয়ে পড়ে সুবাস কুয়োর ভেতর
কুয়োর ভেতর থেকে উড়ছিলো বাস
মানিয়েছিলো বেশতো পাতার পোশাক
মানিয়েছিলো বেশতো লতার পোশাক
মানিয়েছিলো বেশতো ফুলের পোশাক
এইবার হলো এই- উঠলো তুফান
ঝড় ঢুকলো তোমার বুকের ভেতর
আর ঘুম তখনই ভাঙলো তোমার
ঘুমের ভেতর গ
ঘুমের ভেতর ছাড়ো শাদা খরগোশ
লাফিয়ে বেড়ায় দূর মাঠের ভেতর
ঘাসের পাতায় লেখে সবুজ রোদ্দুর
হলুদ বরণ ফুল ফোটায় ঘাসের
ফুলের উপর মাছি নীল প্রজাপতি
হাততালি দ্যায় গাছ প্রান্ত বিকেলে
জোনাক জ্বালায় বাতি সাঁঝের ভেতর
আর নীড়ে ফেরা পাখি ডানা ঝাপটায়
ঈগল ডানার তলে ছায়াদের লেখে
ছায়ার ভেতর দৌড় লেখে খরগোশ
খরগোশ খোঁজে ঝোপ ছায়ার আড়াল
ঝোপের ভেতর তবু ঢুকে পড়ে নখ
ঈগল নখ তোমার চোখের পাতায়
আর ঘুম তখনই ভাঙলো তোমার
ঘুমের ভেতর ঘ
ঘুমের ভেতরে আজ সজারু ছেড়েছো
হাঁটতে হাঁটতে দেখা পেলো মেয়েটির
উড়তে উড়তে গেলো মেয়েটির সাথে
ধরলো হাত তাহারা মুখোমুখি বসে
চাঁদ উঠতে দেখলো নদীর ভেতর
গাছতলায় ঘুমায় চাঁদবনে তারা
ঝরতে লাগলো ফুল গাছের তলায়
সজারু লুকায় কাঁটা ফুলের ভেতর
ফুলের ভেতর ডাকে অন্যকোন মেয়ে
বুকের উপর তার লাল জবা আঁকা
আর বুকে উঠে যায় সজারুর কাঁটা
আর রক্ত ঝরায় নিষ্ঠুর মেয়ে
লজ্জার মাথা খাও পাগলী মেয়ে গো
আর ঘুম তখনই ভাঙলো তোমার
ঘুমের ভেতর ঙ
ঘুমের ভেতরে আজ ভরা সংসার
একসাথে বেড়ে ওঠে আট ভাইবোন
অবিরাম উড়ছেই গাছ থেকে গাছে
গাছ থেকে ঝাঁপ দ্যায় পুকুরের জলে
মায়ের আঁচলে মোছে লাল লাল চোখ
মায়ের আঁচলে বাঁধা দুধে মাখা ভাত
মায়ের আঁচলে ওড়ে পাখিদের ঝাঁক
মায়ের আঁচলে দোলে চাঁদমামা ঘুম
পায়ে পায়ে হেঁটে চলে কাদামাখা পথ
পথের প্রান্তে নাও নদীর উপর
গিয়াছো ভেসে নৌকায় তোমরা সবাই
ভেসে যাওয়ার এই প্রান্ত কোথায়
মায়ের আঁচলে ওড়ে তরীর বাদাম
আর ঘুম তখনও ভাঙেনি তোমার
ঘুমের ভেতর চ
ঘুমের ভেতর জাগে আট ভাইবোন
সাঁঝ আঁকে দূর নীড়ে ঝাঁকছাড়া পাখি
দূর নীড়ে ভোর ডাকে ঝাঁকছাড়া পাখি
সুখে থাকি দুখে আছি ঝাঁকছাড়া পাখি
এত কর ডাকাডাকি এত কর মায়া
কেউ লেখে চিঠি কারো দেয় না উত্তর
এত কর চলাচল ফেলে আসা পথ
পথ চলে গেছে নদী ভাঙনের তরে
দুকূল ছাপানো ঢেউ দূরের কাঁদন
কাঁদন লিখছে কেউ ধূসর আকাশে
আকাশের মাঝি তোর কোন কূলে ঘর
কোন বুকে মাথা রাখো পুষ্পের নিদ
নিদের ভেতর ডাকে শ্রেণীহীন পাড়া
আর তখনও ঘুম ভাঙেনি তোমার
ঘুমের ভেতর ছ
চোখের পাতায় আহা চাঁদ পাড়ে ডিম
রাতটাকে বুকে করে ঘুমায় আকাশ
মাটির খাতায় কেচো পঙতি ছড়ায়
মৃন্ময় সুখ হাসে ঘাসের উপর
শেয়ালের ডাক চলে জোনাক আলোয়
ব্যাঙেরা দৌড়তে থাকে ফড়িঙের পিছু
ফড়িঙও ঢুকে পড়ে খোমড়ের ফাঁদে
ফাঁদের ভেতর সাপ পুচ্ছ নাচায়
সাপ গিলে গিলে খায় হতচিৎকার
আকাশ ভাঙিয়া পড়ে মাথার উপর
শিশু ঘরে ঘরে তার ছিটানো শরীর
নারীরা থেতলে গেছে শিশুর ভেতর
এই তো সব গাজায় ঘটিতেছে শব
আর ঘুম তখনও ভাঙেনি তোমার
ঘুমের ভেতর জ
সাঁঝের পাখিরা ওড়ে মাথার উপর
ভর সন্ধ্যের পাখি ডেকে ডেকে যায়
তোমরা বসিয়া আছো জলের উপর
নৌকার উপর দোলে নতুন আকাশ
নিরালা গল্প বলে দূর জানালায়
ডাহুক ডাকিয়া যায় খুব কাছে এসে
ডানকানা লাফ দেয় তরীর উপর
তরণী মেলেছে ডানা হাওয়ার তোড়ে
নিরালার তরে তবে বসে থাকা যায়
চুপচাপ টুপটাপ কাঁদছে শিশির
শিশিরের তরে তবে বসে থাকা যায়
দূর ভেসে আসা গান শুনবে তোমরা
তাঁবুর ভেতরে আলো জ্বলে আর নেভে
জানি তখনও ঘুম ভাঙেনি তোমার
উড়িতেছে
আঁতুড় ঘরগুলো দৌড়তে দৌড়তে ঢুকে গেলো
মেঘের কোলে রোদ হেসেছে-র ভেতর,
নবজাতকেরা উড়াতে লাগলো ঝরাপাতাদের,
গাছেদের ছায়ারা ঘুম থেকে জাগিয়া উঠিলো,
একটি পুরুষ-চড়ূই ঘরে তাহাদের দানাপানি নাই কোনই
-সারামাঠ উড়তে লাগলো,
একটি মেয়ে-চড়ূই ঘরে তাহাদের দানাপানি নাই কোনই
-সারা আকাশ উড়িতে লাগিলো।
নবজাতকেরা ঘুড়ি উড়াচ্ছে আকাশে আকাশে,
আর ঘুড়ির আড়ালে একটি ঝিঁঝি পোকা উড়িতেছে,
ঝিঁঝির পিছে পিছে একটি ফিঙে পাখি,
ফিঙের পিছে পিছে একটি চড়ূই-পুরুষ,
তার পিছে একটি চড়ূই-মেয়ে উড়ছে, উড়ছে চঞ্চুতেপ্রাণ,
আর ক্ষিপ্র ডানায় রৌদ্র উড়িতেছে, উড়িতেছে মখমল।
২৫.০৩.২০০৯, ঢাকা।
বটমূলে
সকালগুলো দাঁড়িয়ে সারি সারি শুনছিলো গান
সকালগুলো ভিড় করে দাঁড়িয়ে গান শুনছিলো
গান শুনতে শুনতে চলে গেলো দুপুরের বাড়ি
বিকালের হাত ধরে পায়ে পায়ে বেড়াতেও এলো
লালটিপ লাল চুড়ি খোঁপায় ফুল এলো বটমূলে
তোমরা যে বটমূলে গান করো আর গান শোন
সেই বটমূল আছে আমাদের নদীটির কূলে
আমরা সেই নদীকূলে বাজাই বাঁশি, বাঁশি শুনি
সেই বাঁশির চারপাশে ভিড় করে পাখিরা থাকে
পাখিরা ঠোঁটে করে বাঁশি নিয়ে যায় আকাশ পারে
আকাশ পারের সেই বাঁশিটি আজ উঠোনে নাচে
নাচগুলো ভোরের ভেতর ফুল কুড়াতে গিয়াছে
ফুল কুড়ানো হাত গাছের পাতায় দিয়াছে দোল
সেই দোলে পাখিদের কণ্ঠে কলরব জাগিয়াছে
১ বৈশাখ ১৪১৬, ঢাকা।
সাগর ভাসিয়ে নিলো বালুচর মাঠ
আর ঘুম তখনই ভাঙলো তোমার
ঘুমের ভেতর ছেড়ে দিয়েছো ইঁদুর
কতকগুলো ইঁদুর কুয়াশা ওড়ায়
বালুর বাহুতে নাচে, খুশি খুটে খায়
কুয়াশা ওড়ানো আর বালু মাখামাখি
মাখামাখিরা কুড়ালো সোনার আঙটি
আঙটিকে ছুঁড়ে দিলো তোমার আঙুলে
হাত ফসকে আবার বালুতে গড়ায়
আবারও ছুঁড়ে দেয়া আবার গড়ানো
আঙটি গড়ানো হায় খ্যালে সারারাত
আর সব খেলাগুলো ভাসালো সাগর
সাগর তোমার হাতে ডুকরে পড়লো
আর ঘুম তখনই ভাঙলো তোমার
ঘুমের ভেতর খ
ঘুমের ভেতর ছাড়ো ফড়িঙ কয়েক
তোমাকে যে ডেকেছিলো বনের ভেতর
লতাপাতার পোশাক পরাবে তোমাকে
হরেক রকম পাতা তোমাকে সাজায়
পাতার উপর দোলে লতাদের গেরো
বুকের উপর হাসে হরেক কুসুম
লাফিয়ে পড়ে সুবাস কুয়োর ভেতর
কুয়োর ভেতর থেকে উড়ছিলো বাস
মানিয়েছিলো বেশতো পাতার পোশাক
মানিয়েছিলো বেশতো লতার পোশাক
মানিয়েছিলো বেশতো ফুলের পোশাক
এইবার হলো এই- উঠলো তুফান
ঝড় ঢুকলো তোমার বুকের ভেতর
আর ঘুম তখনই ভাঙলো তোমার
ঘুমের ভেতর গ
ঘুমের ভেতর ছাড়ো শাদা খরগোশ
লাফিয়ে বেড়ায় দূর মাঠের ভেতর
ঘাসের পাতায় লেখে সবুজ রোদ্দুর
হলুদ বরণ ফুল ফোটায় ঘাসের
ফুলের উপর মাছি নীল প্রজাপতি
হাততালি দ্যায় গাছ প্রান্ত বিকেলে
জোনাক জ্বালায় বাতি সাঁঝের ভেতর
আর নীড়ে ফেরা পাখি ডানা ঝাপটায়
ঈগল ডানার তলে ছায়াদের লেখে
ছায়ার ভেতর দৌড় লেখে খরগোশ
খরগোশ খোঁজে ঝোপ ছায়ার আড়াল
ঝোপের ভেতর তবু ঢুকে পড়ে নখ
ঈগল নখ তোমার চোখের পাতায়
আর ঘুম তখনই ভাঙলো তোমার
ঘুমের ভেতর ঘ
ঘুমের ভেতরে আজ সজারু ছেড়েছো
হাঁটতে হাঁটতে দেখা পেলো মেয়েটির
উড়তে উড়তে গেলো মেয়েটির সাথে
ধরলো হাত তাহারা মুখোমুখি বসে
চাঁদ উঠতে দেখলো নদীর ভেতর
গাছতলায় ঘুমায় চাঁদবনে তারা
ঝরতে লাগলো ফুল গাছের তলায়
সজারু লুকায় কাঁটা ফুলের ভেতর
ফুলের ভেতর ডাকে অন্যকোন মেয়ে
বুকের উপর তার লাল জবা আঁকা
আর বুকে উঠে যায় সজারুর কাঁটা
আর রক্ত ঝরায় নিষ্ঠুর মেয়ে
লজ্জার মাথা খাও পাগলী মেয়ে গো
আর ঘুম তখনই ভাঙলো তোমার
ঘুমের ভেতর ঙ
ঘুমের ভেতরে আজ ভরা সংসার
একসাথে বেড়ে ওঠে আট ভাইবোন
অবিরাম উড়ছেই গাছ থেকে গাছে
গাছ থেকে ঝাঁপ দ্যায় পুকুরের জলে
মায়ের আঁচলে মোছে লাল লাল চোখ
মায়ের আঁচলে বাঁধা দুধে মাখা ভাত
মায়ের আঁচলে ওড়ে পাখিদের ঝাঁক
মায়ের আঁচলে দোলে চাঁদমামা ঘুম
পায়ে পায়ে হেঁটে চলে কাদামাখা পথ
পথের প্রান্তে নাও নদীর উপর
গিয়াছো ভেসে নৌকায় তোমরা সবাই
ভেসে যাওয়ার এই প্রান্ত কোথায়
মায়ের আঁচলে ওড়ে তরীর বাদাম
আর ঘুম তখনও ভাঙেনি তোমার
ঘুমের ভেতর চ
ঘুমের ভেতর জাগে আট ভাইবোন
সাঁঝ আঁকে দূর নীড়ে ঝাঁকছাড়া পাখি
দূর নীড়ে ভোর ডাকে ঝাঁকছাড়া পাখি
সুখে থাকি দুখে আছি ঝাঁকছাড়া পাখি
এত কর ডাকাডাকি এত কর মায়া
কেউ লেখে চিঠি কারো দেয় না উত্তর
এত কর চলাচল ফেলে আসা পথ
পথ চলে গেছে নদী ভাঙনের তরে
দুকূল ছাপানো ঢেউ দূরের কাঁদন
কাঁদন লিখছে কেউ ধূসর আকাশে
আকাশের মাঝি তোর কোন কূলে ঘর
কোন বুকে মাথা রাখো পুষ্পের নিদ
নিদের ভেতর ডাকে শ্রেণীহীন পাড়া
আর তখনও ঘুম ভাঙেনি তোমার
ঘুমের ভেতর ছ
চোখের পাতায় আহা চাঁদ পাড়ে ডিম
রাতটাকে বুকে করে ঘুমায় আকাশ
মাটির খাতায় কেচো পঙতি ছড়ায়
মৃন্ময় সুখ হাসে ঘাসের উপর
শেয়ালের ডাক চলে জোনাক আলোয়
ব্যাঙেরা দৌড়তে থাকে ফড়িঙের পিছু
ফড়িঙও ঢুকে পড়ে খোমড়ের ফাঁদে
ফাঁদের ভেতর সাপ পুচ্ছ নাচায়
সাপ গিলে গিলে খায় হতচিৎকার
আকাশ ভাঙিয়া পড়ে মাথার উপর
শিশু ঘরে ঘরে তার ছিটানো শরীর
নারীরা থেতলে গেছে শিশুর ভেতর
এই তো সব গাজায় ঘটিতেছে শব
আর ঘুম তখনও ভাঙেনি তোমার
ঘুমের ভেতর জ
সাঁঝের পাখিরা ওড়ে মাথার উপর
ভর সন্ধ্যের পাখি ডেকে ডেকে যায়
তোমরা বসিয়া আছো জলের উপর
নৌকার উপর দোলে নতুন আকাশ
নিরালা গল্প বলে দূর জানালায়
ডাহুক ডাকিয়া যায় খুব কাছে এসে
ডানকানা লাফ দেয় তরীর উপর
তরণী মেলেছে ডানা হাওয়ার তোড়ে
নিরালার তরে তবে বসে থাকা যায়
চুপচাপ টুপটাপ কাঁদছে শিশির
শিশিরের তরে তবে বসে থাকা যায়
দূর ভেসে আসা গান শুনবে তোমরা
তাঁবুর ভেতরে আলো জ্বলে আর নেভে
জানি তখনও ঘুম ভাঙেনি তোমার
উড়িতেছে
আঁতুড় ঘরগুলো দৌড়তে দৌড়তে ঢুকে গেলো
মেঘের কোলে রোদ হেসেছে-র ভেতর,
নবজাতকেরা উড়াতে লাগলো ঝরাপাতাদের,
গাছেদের ছায়ারা ঘুম থেকে জাগিয়া উঠিলো,
একটি পুরুষ-চড়ূই ঘরে তাহাদের দানাপানি নাই কোনই
-সারামাঠ উড়তে লাগলো,
একটি মেয়ে-চড়ূই ঘরে তাহাদের দানাপানি নাই কোনই
-সারা আকাশ উড়িতে লাগিলো।
নবজাতকেরা ঘুড়ি উড়াচ্ছে আকাশে আকাশে,
আর ঘুড়ির আড়ালে একটি ঝিঁঝি পোকা উড়িতেছে,
ঝিঁঝির পিছে পিছে একটি ফিঙে পাখি,
ফিঙের পিছে পিছে একটি চড়ূই-পুরুষ,
তার পিছে একটি চড়ূই-মেয়ে উড়ছে, উড়ছে চঞ্চুতেপ্রাণ,
আর ক্ষিপ্র ডানায় রৌদ্র উড়িতেছে, উড়িতেছে মখমল।
২৫.০৩.২০০৯, ঢাকা।
বটমূলে
সকালগুলো দাঁড়িয়ে সারি সারি শুনছিলো গান
সকালগুলো ভিড় করে দাঁড়িয়ে গান শুনছিলো
গান শুনতে শুনতে চলে গেলো দুপুরের বাড়ি
বিকালের হাত ধরে পায়ে পায়ে বেড়াতেও এলো
লালটিপ লাল চুড়ি খোঁপায় ফুল এলো বটমূলে
তোমরা যে বটমূলে গান করো আর গান শোন
সেই বটমূল আছে আমাদের নদীটির কূলে
আমরা সেই নদীকূলে বাজাই বাঁশি, বাঁশি শুনি
সেই বাঁশির চারপাশে ভিড় করে পাখিরা থাকে
পাখিরা ঠোঁটে করে বাঁশি নিয়ে যায় আকাশ পারে
আকাশ পারের সেই বাঁশিটি আজ উঠোনে নাচে
নাচগুলো ভোরের ভেতর ফুল কুড়াতে গিয়াছে
ফুল কুড়ানো হাত গাছের পাতায় দিয়াছে দোল
সেই দোলে পাখিদের কণ্ঠে কলরব জাগিয়াছে
১ বৈশাখ ১৪১৬, ঢাকা।

Kobitagulo Besh Valo Laglo...
ReplyDeleteধন্যবাদ মোজাফ্ফর আমার কবিতা পড়ার জন্য । ভালো থাকবেন ।
ReplyDeleteধন্যবাদ মোজাফ্ফর আপনাকে..
ReplyDeleteভালো থাকবেন ।
Valo Laglo kobitaguli. bash strong bola mone hoaca... thnx.
ReplyDeleteধন্যবাদ আপনাকে কবি সাফি সমুদ্র,
ReplyDeleteভালো থাকবেন ।